Beta
Logo

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

এলপিজি আমদানিতে ‘বিশেষ’ ঋণ সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

এলপিজি আমদানিতে ‘বিশেষ’ ঋণ সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
সকাল সন্ধ্যা প্রতিবেদন
সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৯:০০

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ (সাপ্লায়ার্স বা বায়ার্স ক্রেডিট) সুবিধা পাওয়া যাবে।

 

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে জানিয়েছে, এখন থেকে ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এলপিজি আমদানি করা যাবে।

 

সরবরাহ সংকটের কারণে সিলিন্ডারের আকারভেদে এলপিজির দাম ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। এই পরিস্থিতিতে বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে।

 

সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি বাল্ক বা অনেক পরিমাণে কেনা হয় এবং পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমে বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ সুবিধা পাওয়া যায়।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতার ঋণ বা বায়ার্স ক্রেডিটের ব্যবস্থা করে। এ ছাড়া অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও দেওয়া যাবে।

 

এই ‘বিশেষ’ সুবিধার ফলে এলপিজি আমদানিকারকেরা আর্থিক চাপ সামলাতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 

গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর জারি করা এক সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে ২৭০ দিনের ইউজান্স পিরিয়ড (বাকিতে মূল্য পরিশোধের সময়) সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুবিধা পাবেন।

আরও