Beta
Logo

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিকেট প্রসারে বাংলাদেশ

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিকেট প্রসারে বাংলাদেশ
রাহেনুর ইসলাম
সোমবার, ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩২:০০

 চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন প্রায় ২৭ হেক্টর। ছাত্র-ছাত্রী ৩০ হাজারের বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমৃদ্ধ লাইব্রেরিতে আছে ৭ লাখ ১০ হাজার বই। ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের এই বিশ্ববিদ্যালয়েই মাথা উঁচু করে আছে ‘বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট সেন্টার’।

বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে গত বছরের ২৪ মে বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মুনীরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উদ্বোধন করেন এই ক্রিকেট সেন্টারের। এমনিতেই চীনের ক্রিকেট উন্নয়নের সারথি বাংলাদেশ। সেখানে এই সেন্টারের উদ্বোধনের পর দুই দেশের ক্রিকেট সহযোগিতা পেয়েছে নতুন মাত্রা।

মে মাসে উদ্বোধনের পর জানুয়ারি পর্যন্ত এই সেন্টারের অগ্রগতি কতটা? বিকেএসপির মহাপরিচালকের সঙ্গে গত মে’তে মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া ক্রিকেট কোচ এস এম আসাদুল হক সকাল সন্ধ্যাকে এ নিয়ে জানালেন,‘‘ আমাদের মহাপরিচালক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একজন আর আমি গিয়েছিলাম মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট সেন্টার উদ্বোধনের সময় উচ্ছ্বসিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই। গত ৭ মাসে তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। এখন তারা আমাদের নির্দেশনায় তৈরি করছে ক্রিকেট মাঠ।’’

 ক্রিকেট মাঠ ও পিচ

২০১০ গুয়াংজুর পর ২০২২ (অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৩-এ) হাংজু এশিয়ান গেমসেও চীনে ক্রিকেটের মাঠ ও উইকেট প্রস্তুত করেছিলেন বাংলাদেশের কিউরেটররা। হাংজু এশিয়ান গেমসে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে জিজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তৈরি করা হয়েছিল ছোট্ট একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এর তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিসিবির কিউরেটর জসিমউদ্দিন।

ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ ও উইকেট তৈরিতেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করেছে বিকেএসপির সঙ্গে। বিকেএসপির নির্দেশনায় স্থানীয় কজন কিউরেটর মাঠ প্রায় প্রস্তুত করে ফেলেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। এ নিয়ে বিকেএসপির ক্রিকেট কোচ এস এম আসাদুল হক বললেন,‘‘এখানে ৫টা পিচ তৈরি করা হচ্ছে। কোনটা ব্যাটিং বান্ধব, কোনটা স্পিন সহায়ক আর কোনটা হবে সবুজ উইকেটে পেস বোলারদের জন্য আদর্শ। কাজ প্রায় শেষ দিকে। এত বড় একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিচ ও মাঠ তৈরিতে বাংলাদেশের ছোঁয়া থাকাটা বিশেষ কিছু।’’

গত বছরের ২৪ মে বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মুনীরুল ইসলামের নেতৃত্বে  ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্বোধন করা হয় ‘বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট সেন্টার’। ছবি : সংগৃহীত

কিছুদিন আগে বিকেএসপি থেকে ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল মন্টু কুমার দত্তকে। লেভেল থ্রি করা এই কোচ সকাল সন্ধ্যাকে জানিয়েছেন,‘‘২০০৭ সালে লেভেল টু করার পর এ বছর আমি লেভেল থ্রি করেছি। বাচ্চাদের খেলা শিখিয়ে আনন্দ পাই। চীনের কাছে ক্রিকেট নতুন সম্ভাবনার একটা খেলা। আমাদের সাকিব, তামিম, মোস্তাফিজদের খেলার ভিডিও দেখিয়ে অনুপ্রাণিত করেছি ওদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ অনেকটাই ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। পুরোপুরি সম্পন্ন হলে আমাদের আরও কয়েকজন কোচ যাবেন সেখানে।’’

 বিকেএসপি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মিনজুর কোচ

শেন ইয়াং স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির সঙ্গে বিকেএসপির চুক্তি হয়েছিল ২০১৭ সালে। দেশের বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এটাই ছিল বিকেএসপির প্রথম কোনো চুক্তি। চীনের অনেক অলিম্পিয়ান উপহার দেওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আওতায় বিকেএসপি পাঠিয়েছিল তিন জন ক্রীড়াবিদ। কয়েক মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফেরেন তারা। শেন ইয়াং স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি থেকেও এসেছিলেন কয়েকজন ক্রিকেট খেলোয়াড়।

এরপর ২০২৪ সালে ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয় বিকেএসপির। চীনের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির মাধ্যমে পড়াশোনা করছেন বিকেএসপির কয়েকজন ছাত্র । ক্রিকেটে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও গত বছর বিকেএসপি ঘুরে গেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী ও তিন জন ক্রিকেট কোচ।

বিকেএসপির ক্রিকেট কোচ এস এম আসাদুল হক।

তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়ে বিকেএসপির ক্রিকেট কোচ এস এম আসাদুল হক জানালেন, ‘‘চীনের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি রয়েছে বিকেএসপির সঙ্গে। উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের মাধ্যমে বিকেএসপিতে আধুনিক ইনজুরি পুনর্বাসন সেন্টার হবে। বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি প্রক্রিয়াধীন। ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের এখানে তাইচি সেন্টার করেছে (উশুকে চীনারা তাইচি বলে)। তারপরও কারাতে ও উশুর কয়েকজন খেলোয়াড় আমরা পাঠিয়েছি মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর সেখান থেকে ক্রিকেটে উন্নত প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন তিনজন কোচ। ছিল কয়েকজন ছাত্রও। তাদের মাসখানেক প্রশিক্ষণ দিই আমরা। উপহার হিসেবে দিয়েছি ক্রিকেটের ব্যাট, বল, নেটসহ আরও কিছু সরঞ্জাম।’’

 চীনের বিশ্ববিদ্যালয় দলে বাংলাদেশি ক্রিকেটার

 চাঁদে প্রথম পা রাখা নীল আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে তুলনা করা হয় বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে। ২০০৭ সালে এসিসির ক্রিকেট উন্নয়ন কর্মকর্তার চাকরি নিয়ে চীনে ক্রিকেট ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বুলবুল। ১০০ জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে শুরু করেছিলেন আমিনুল ইসলাম। সেই চীনে এখন রয়েছে ১২ লাখের বেশি ক্রিকেটার।

২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত চীনের পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর পর এসিসির সদর দপ্তর থেকে প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করেছিলেন বুলবুল। এরপর চীনে সরাসরি উন্নয়ন প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন বাংলাদেশেরই আরেক টেস্ট ক্রিকেটার মঞ্জুরুল ইসলাম। তিনি এখন চীন নারী জাতীয় দলের প্রধান কোচ। মঞ্জুরুলের আগে এই দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ফাতেমা তুজ জোহরা।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশিরা এখন খেলছেন চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় দলে। লাইয়োনিং রাজ্যের শেনিয়াং শহরের শেনিয়াং এরোসপেস ইউনিভার্সিটির ক্রিকেট দল পরিচালিত হয় চাইনিজ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তত্ত্বাবধানে। সেই ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বাংলাদেশের ইমরান খান। দলটিতে খেলেন বাংলাদেশের আরেক ছাত্র সমিত ভৌমিক।

শেনিয়াং শহরের শেনিয়াং এরোসপেস ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত

গত এশিয়ান গেমসের সময় হাংজুতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অভ্যর্থনা জানাতে এসেছিলেন ইমরান, সমিতরা। সেখানেই ইমরান সকাল সন্ধ্যাকে জানান, ‘‘চীনে খেলাটাকে বলা হয় বানছো। বান মানে ব্যাট আর ছো মানে বল। তবে এখন বানছোর বদলে ক্রিকেটই বলতে শিখেছে ওরা। ২০১১ সালে ন্যাশনাল ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেয় চীনের ৪৮টি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৩ সালে সংখ্যাটা বেড়ে হয় ১১৮। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় দলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে খেলছেন বাংলাদেশি ছাত্ররা। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার অনেকে পড়াশোনা করতে আসেন চীনে। তবে ক্রিকেট দলে বাংলাদেশি ছাত্রই থাকে বেশি।’’

এছাড়া সমিত ভৌমিক জানিয়েছিলেন,‘‘দেশে আমি একটা ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হয়েছিলাম। সেখানে শেখা জ্ঞান কাজে লাগাচ্ছি চীনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে। খেলার পাশাপাশি অনেককে হাতে ধরে ক্রিকেট শেখাচ্ছি। চীন সরকারের নীতি হচ্ছে বিদেশি কোনো ক্রিকেটার জাতীয় দলে না নেওয়া। এই নীতি না থাকলে আমরাও চেষ্টা করতে পারতাম। তবে ওদের সঙ্গে খেলা আর ক্রিকেট শেখানোর সুযোগটা উপভোগ করি আমরা। চীন শক্তিশালী দল গড়তে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেটের মান বাড়াচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশি হিসেবে কিছুটা সহায়তা করতে পারা বিশেষ কিছু। ’’

 মালিশা এডুর কোরবান আলীর সন্তুষ্টি

চীনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথকে একেবারেই সহজ করে দিয়েছেন শেখ কোরবান আলী। তার প্রতিষ্ঠিত ‘মালিশা এডু’ স্কলারশিপের মাধ্যমে গত ১৪ বছরে ২৭ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী চীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন, বা বর্তমানে সেখানে অধ্যয়ন করছেন।

চীনের ২৫০টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি আছে মালিশা এডুর। এই শিক্ষার্থীরা চীনে আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি নিয়ে দেশে ও বিদেশে দাপটের সঙ্গে চাকরি করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সুনামের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় দলের হয়ে ক্রিকেটও খেলছেন বাংলাদেশি ছাত্ররা।

 ‘মালিশা এডু’র প্রতিষ্ঠাতা শেখ কোরবান আলী। ছবি : সংগৃহীত

এ নিয়ে সন্তুষ্টি জানালেন গোপালগঞ্জের প্রান্তিক গ্রাম নিজামকান্দি থেকে উঠে আসা ‘মালিশা এডু’র প্রতিষ্ঠাতা শেখ কোরবান আলী,‘‘চীনে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিয়েছে মালিশা এডুর মাধ্যমে। তাদের প্রায় সবাই সফল। আমার বেশি ভালো লাগাটা হচ্ছে ক্রিকেটার হিসেবেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় দলে বাংলাদেশিদের সুনামের সঙ্গে খেলাটা। ওরা জাতীয় দলে বিদেশী নিলে আমি নিশ্চিত খেলোয়াড় কোটায় আরও অনেকের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়াটা সহজ হত। তারপরও সেখানে আমাদের ছাত্ররা ক্রিকেট খেলে ও শিখিয়ে সুনাম বাড়াচ্ছে দেশের। এটা গর্বিত হওয়ার মত ব্যাপার।’’

 বিনিয়োগ কত

শেন ইয়াং স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি, ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়, উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি আছে বিকেএসপির। দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এই চুক্তির আওতায় একে অন্যের দেশ সফর করেছেন। সবমিলিয়ে চীনের বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে চীনের বিনিয়োগ কত?

এ নিয়ে চীনের মিনজু বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে আসা বিকেএসপির ক্রিকেট কোচ এস এম আসাদুল হক জানালেন,‘‘বিনিয়োগের সঠিক অঙ্কটা বলা কঠিন। আমাদের বিকেএসপির উশুর ম্যাট আগে থেকে আছে। ওরা আমাদের উশুর কিছু সামগ্রী দিয়েছে। তবে উশু ফেডারেশনে ম্যাট দেওয়ার পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত এম্বাসেডর কাপ হচ্ছে চীনের অর্থায়নে। এই অঙ্কটা নিশ্চিতভাবে এক কোটি টাকার ওপরে। আমরা যে ক্রিকেটের ব্যাট, বল উপহার দিয়েছি এই অঙ্কটাও খুব বড় না। আর আমরা যখন চীনে যাই তখন টিকিটের টাকা আমাদের বহন করতে হয়। আর ওরাও আসে নিজেদের খরচে। তবে আমাদের যেমন থাকা, খাওয়া কিংবা আপ্যায়নের ব্যবস্থা ওরা করে তেমনি ওদেরটাও আমরা করি।’’

 বাংলাদেশের সহায়তায় কৃতজ্ঞ চীন

হাংজুতে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে জিজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তৈরি করা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সর্বশেষ এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্ট। স্টেডিয়াম ও পিচ তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের কিউরেটর জসিমউদ্দিন।

এশিয়ান গেমস চলার সময় এই প্রতিবেদকের কাছে এজন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন জিজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় দলের ক্রিকেট অধিনায়ক তিয়ান সেন কুন,‘‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো মানের পিচ আর মাঠ ছিল না। বাংলাদেশের কিউরেটর দারুণ কাজ করেছেন। এশিয়ান গেমস শেষে এগুলো কাজে লাগবে আমাদের।’’

মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন ক্রিকেট কোচ প্রশিক্ষণ নিয়ে গেছেন বিকেএসপি থেকে। তাদের একজন ইয়িন চেনহাও ‘উইচ্যাটে’ চীন থেকে জানালেন,‘‘আমরা এক মাসের মতো ছিলাম বিকেএসপিতে। সেখানকার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছি। কোচরা ভীষণ আন্তরিক ছিলেন। ক্রিকেটের অনেক কিছু শিখেছি বাংলাদেশে। মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই শিক্ষা কাজে লাগাচ্ছি আমরা।’’

 

আরও