ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তান হেরে যাওয়ায় “এ” গ্রুপ এখন উন্মুক্ত। অন্তত আজকের ম্যাচ পর্যন্ত। এই ম্যাচে হারলে পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশের সেমিফাইনাল ভাগ্যও ঝুলে যাবে। জিতলে একদম উজ্জ্বল হবে। তার আগে বড় চ্যালেঞ্জ নিউজিল্যান্ডকে হারানো।
দলটির বিপক্ষে অতীত সাফল্য আশা জাগাচ্ছে। তার চেয়েও ওই চ্যালেঞ্জটাই বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে।
নিজেদের চেয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। ৪৫ ওয়ানডেতে ৩৩ হারের বিপরীতে ১১ জয়। তাদের বিপক্ষে জিতেই প্রথম কোন আইসিসি ইভেন্টের সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয় এবং তা সবশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেই।
এত আশা থাকলেও এবার কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হলে পাহাড় চড়তে হবে নাজমুল হোসেন শান্তদের। দুই দলের ৪৫ দেখায় বাংলাদেশ জিতেছে ১১ ম্যাচে। আর নিউজিল্যান্ডের জয় ৩৩ ম্যাচে। ১টি ম্যাচে কোনো ফলাফল আসেনি। সবশেষ দেখায় নেপিয়ারে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশই। সেই প্রেরণা নিয়েই কিউই চ্যালেঞ্জের সামনে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্সও তাই বললেন। আশা করছেন নিউজিল্যান্ড যে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলছে, ওই অবস্থান থেকে তাদের আটকে দেওয়া সম্ভব, “এই টুর্নামেন্টটি সেরা আট দলের। এখানের সবগুলো ম্যাচেই প্রবল চাপ থাকবে। আমাদের লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড যে ভালো ক্রিকেট খেলছে ওদেরকে তা খেলতে না দেওয়া। কাল (আজ) নতুন দিন, নতুন ম্যাচ আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।”
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি নতুন বলে অতীতে নজর দিতে নারাজ সিমন্স, “আমরা কিছু দলের বিপক্ষে ধারাবাহিক খেলেছি। নিউজিল্যান্ড তার মধ্যে একটি। তাই ওদের সঙ্গে ভালো করার রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের চেয়ে বেশি। তবুও আমরা অতীতে নজর দিতে চাইছি না। আমরা এখন একটি টুর্নামেন্টের মধ্যে আছি। অবশ্যই এখন এটা নিয়েই ভাবতে চাই।”
ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত ভাবে ম্যাচে ফেরার উদাহরণ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। টপঅর্ডারের ব্যর্থতায় সেই ঘুরে দাঁড়ানো কাজে আসেনি। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার সেই দিকটি সামনে আনলেন।
তার মতে বাংলাদেশ ফল পাল্টে দেওয়া যে কোন কিছু করতে পারে। তাই সাবধান থাকছেন। তবে বিষয়টি স্পষ্ট। এখন যে দুর্ধর্ষ ক্রিকেট স্যান্টনাররা খেলছেন, বাংলাদেশকে “ভালো” বলে চাপটা শান্তদের ওপরই ফেলতে চাইছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক।