Beta
Logo

মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

বিশিষ্ট ৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

বিশিষ্ট ৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
সকাল সন্ধ্যা ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:২৬:০০

নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

 

বাসস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন তিনি।

 

পদকপ্রাপ্তরা হলেন—নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।

 

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ‘বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৫’ পালন করছে।

 

নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

 

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং পদকপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

 

 

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ‘আমি-ই রোকেয়া’ শিরোনামের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে নারীর শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বেগম রোকেয়ার অবদান তুলে ধরা হয়।

 

অনুষ্ঠানে নারীর অনুপ্রেরণায় বেগম রোকেয়ার ভূমিকা ও দেশের নারী ক্ষমতায়নের অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার গুরুত্বও এতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

 

 

বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বরে জন্মগ্রহণ করেন; ১৯৩২ সালের একই দিনে মাত্র ৫২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

 

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে নারী জাগরণের এই পথিকৃৎ এর জন্ম হয়। নারী শিক্ষার প্রসারে তার কাজ সমাজে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। রক্ষণশীল সামাজিক পরিবেশ ও পিতার কঠোর শাসনে বেড়ে উঠলেও তিনি গোপনে শিক্ষা গ্রহণ ও সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যান।

 

১৯০২ সালে ‘নবপ্রভা’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘পিপাসা’ লেখাটি তাকে পরিচিতি এনে দেয়। ১৯০৫ সালে প্রকাশিত তার লেখা ‘সুলতানার স্বপ্ন’-কে নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী ও মতিচুর তার উল্লেখযোগ্য রচনা।

আরও