Beta
শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫
Beta
শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

তরুণদের নতুন দলের কাছে প্রত্যাশার ডালি

ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে শুক্রবার নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের সমাবেশ হয়। ছবি : হারুন অর রশীদ
ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে শুক্রবার নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের সমাবেশ হয়। ছবি : হারুন অর রশীদ
[publishpress_authors_box]

সফটওয়্যার প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন যে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি এড়িয়েই চলেন। তবে এসেছিলেন মানিক মিয়া এভিনিউতে। একা আসেননি, সঙ্গে নিয়ে আসেন স্ত্রী, দুই মেয়ে আর বোনকে। দেখতে এসেছিলেন তরুণদের নতুন দলের আত্মপ্রকাশ কীভাবে হয়, শুনতে এসেছিলেন তারা কী বলে?

মোহাম্মদপুর থেকে আসা কামাল মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন মানিক মিয়া এভিনিউর এমাথা-ওমাথা। সেখানেই কথা হয় তার সঙ্গে। 

কামাল সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “এই শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিল, আমরা চাই সেই লক্ষ্যে যেন তারা অবিচল থাকতে পারে। তারা যেন সকল বৈষম্য দূর করে দেশের সব মানুষের কথা বলতে পারে, সেই দোয়া করি সবসময়।”

শিক্ষার্থীদের নতুন এই যাত্রায়ও পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময়ও তাদের পাশে ছিলাম, তেমনি তারা যদি দেশের মানুষের জন্য কাজ করে, তাহলে পরবর্তীতেও তাদের পাশে থাকব।”

নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সপরিবারে এসেছিলেন কামাল হোসেন।

রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু সংসদ ভবনের সামনে সুপ্রশস্ত মানিক মিয়া এভিনিউতে যে সমাবেশে যোগ দিতে কামাল এসেছিলেন, সেই সমাবেশে আত্মপ্রকাশ ঘটে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (National Citizens Party-NCP)।

যাদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানে গত বছর শেখ হাসিনার দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটেছে, তারাই এই দল গঠনের উদ্যোক্তা। অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তার বাস্তবায়নই এই দল গঠনের লক্ষ্য বলে এর নেপথ্যের কারিগর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতাদের ভাষ্য।

কামাল যখন মাথায় পতাকা বেঁধে মানিক মিয়া এভিনিউতে, তখন সমাবেশের মঞ্চেও মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণাপত্র পড়ে শোনান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ ছেড়ে এর আহ্বায়কের দায়িত্ব নেওয়া নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলছিলেন, “আজকের এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরা কেবল সামনের কথা বলতে চাই। আমরা পেছনের ইতিহাসকে অতিক্রম করে একটি সম্ভাবনার বাংলাদেশের কথা বলতে চাই।”

নতুন দলের আগে নতুন ছাত্র সংগঠনেরও আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।

রক্তাক্ত এক অধ্যায় পেরিয়ে সফল অভ্যুত্থানের এই কারিগরদের কাছ থেকে প্রত্যাশার ডালি নিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশ থেকে মানুষ এসে জড়ো হয়েছিল মানিক মিয়া এভিনিউতে। এই ভিড়ে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঢাকার সবচেয়ে প্রশস্ত এই সড়কে এক সময় আওয়ামী লীগ, বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশ হতো। সুবিশাল এই এলাকায় অন্য কেউ সমাবেশ করার মতো সাহসী হতো না। তরুণদের নতুন দল সেই সাহস দেখাল।

বৃহস্পতিবার রাতভর মঞ্চ তৈরির কাজ চলে মানিক মিয়া এভিনিউর পশ্চিম প্রান্তে। মঞ্চের সামনে বসার ব্যবস্থা ছিল আমন্ত্রিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের জন্য।

নতুন দলের নেতারা চাইছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনীতির গতিপথ পাল্টে দেবেন। ছবি : হারুন অর রশীদ

যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই হয় নতুন দলের এই সমাবেশ। যান চলাচল বন্ধের জন্য নাগরিকদের সমস্যায় পড়তে হওয়ায় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে দুঃখও প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানের কেন্দ্রস্থল ও তার আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ পথে আর্চওয়ে স্থাপন করা হয়, ফলে সবাইকে ঢুকতে হয় তল্লাশি পেরিয়ে। অতিথিদের জন্য জায়গায় জায়গায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা ছিল। নারী ও পুরুষদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন টয়লেটের ব্যবস্থাও করা হয়।

তরুণদের কাছে প্রত্যাশা থেকে এই সমাবেশ দেখতে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী মো. সোহরাব। তার চাওয়া, তরুণদের এই নতুন যাত্রায় দুর্নীতির কবর রচনা হোক।

তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতি। গত ৫৩ বছরে কোনও রাজনৈতিক দলই দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।

“বরং রাজনৈতিক নেতারাই ছিলেন দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা। তাই তাদের হাতে কখনও দুর্নীতি শেষ হবে না। একমাত্র নতুনদের দিয়েই দুর্নীতি বন্ধ হবে। এই শিক্ষার্থীরা যদি নিজেদের লক্ষ্যে অটুট থাকে, তাহলে আমরা দুর্নীতিমুক্ত দেশ পেতে পারি।”

বরগুনা থেকে ঢাকার মিরপুর কলেজে পড়তে আসা রাকিবুল ইসলাম রতন চান পারিবারিক শাসনের অবসান।

তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ছেলে-মেয়েরাই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবে, এমপির ছেলে এমপি হবে, এ কেমন সিস্টেম? এই সিস্টেমের পরিবর্তন না হলে কখনোই আমরা জনকল্যাণমুখী রাজনীতি পাব না। আশা করি, নতুন এই দল সেই পারিবারিক শাসনব্যবস্থার ইতি টানবে।”

রাজশাহী থেকে ব্যবসায়ী মো. কাউসার আসেন নতুন দলের সমাবেশে যোগ দিতে।

রাজশাহী থেকে ব্যবসায়ী মো. কাউসার ১৫টি বাস করে দুই শতাধিক মানুষ নিয়ে আসেন সমাবেশে। কয়েকটি ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তার হাতে ধরা একটি ব্যানারে লেখা- ‘কবরস্থানে কে রে? আমি চান্দা তুলি না’। পাশে রাখা ব্যানারে লেখা ‘চাঁদা তুলে কর্মী পালার দিন শেষ, বুদ্ধিভিত্তিক রাজনীতি গড়বে বাংলাদেশ।’

কাউসার সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “আমার প্রত্যাশার কথা হাতের ব্যানারেই তুলে ধরেছি আমি। আমাদের দেশে রাজনীতি মানেই চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দুর্নীতি আর হানাহানি। আমি চাই এই নোংরা রাজনীতির ধারা বদলে যাক। পুরনো কোনও রাজৗনৈতিক দল সেই ধারা বদলাতে পারবে না, পারলে ছাত্রদের এই দলই পারবে।”

কাউসারের পাশেই হাতে একটি ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী রবিউল মিলু। তার ব্যানারে লেখা- ‘ডাল-ভাতের জীবন চাই না, উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদা চাই’।

তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “আমি চাই বিগত স্বৈরাচার সরকারের মতো দেশের সম্পদ বিদেশে কেউ যেন পাচার করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করা হোক। বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে আমাদের ভাত-কাপড়ের সান্ত্বনা দিয়ে ভুলিয়ে রাখবে, এমন রাজনীতির অবসান চাই আমি।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন জুলাই আন্দোলনে আহত মো. মানিক মিয়া। গত বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুর চৌরাস্তায় বিক্ষোভের সময় গুলিতে বাম চোখ নষ্ট হয়ে গেছে তার।

পোশাক শ্রমিক মানিক সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “আমি দেশের মনুষের জন্য কাজ করতে চাই, নতুন দলের কাছে সেই সুযোগ চাই আমি। নতুন এই দলের নেতারা গত ৫৩ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন করে দেশটা গড়ে তুলবেন, বলে প্রত্যাশা করি আমি।”

জুলাই আন্দোলনে চোখ হারানো মো. মানিক মিয়াও আসেন নতুন দলের সমাবেশে।

নারায়ণগঞ্জে বাসিন্দা, ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী সানজানা মেধা নিজের নামের মতোই দেশের রাজনীতিতে মেধাবী ও শিক্ষিতদের অংশগ্রহণ দেখতে চান।

সমাবেশে আসা মেধা সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “আমি সবসময় স্বপ্ন দেখি, রাজনীতি থাকবে পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষিত মানুষের নিয়ন্ত্রণে। নতুন এই দল আমার সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস।”

বিপুল প্রত্যাশার ভার নেওয়া নাহিদ সমাবেশে বলেন, তারা বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনীতির বিকল্প হয়ে উঠতে চান।

“জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্লোগান উঠেছিল তুমি কে, আমি কে; বিকল্প, বিকল্প। আজ সেই বিকল্পের জায়গা থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।”

মানিক মিয়া এভিনিউতে আয়োহিত সমাবেশ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন নাহিদ ইসলাম। ছবি : হারুন অর রশীদ
মানিক মিয়া এভিনিউতে আয়োহিত সমাবেশ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন নাহিদ ইসলাম। ছবি : হারুন অর রশীদ

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেরণায় বলীয়ান ২৬ বছরের এই যুবক বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে এক ধরনের বিভাজনের রাজনীতি তৈরি করে জনগণ ও রাষ্ট্রকে দুর্বল করে রাখার যে ষড়যন্ত্র ছিল, তা জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা ভেঙে দিয়েছি।

“আজ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে শপথ করতে চাই, বাংলাদেশকে আর কখনও বিভাজিত করা যাবে না। বাংলাদেশে আর কখনও ভারতপন্থী বা পাকিস্তানপন্থী কোনও রাজনীতির ঠাঁই হবে না।”

নাহিদ আরও বলেন, “আমরা এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ চাই, যেখানে সমাজে ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বিভেদের বদলে ঐক্য, প্রতিশোধের বদলে ন্যায়বিচার এবং পরিবারতন্ত্রের বদলে মেধা ও যোগ্যতার মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদের রাজনীতিতে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কোনও স্থান হবে না।”

মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার কথা মনে রেখে নতুন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনীম জারা সমাবেশে বলেন, “আজ আমরা কেবল একটি নতুন রাজনৈতিক দলই গঠন করছি না, আমরা নতুন এক রাজনীতির পথচলা শুরু করছি। আমরা নতুন ধরনের একটি রাজনৈতিক দল গঠন করছি।”

এক পায়ে চলা মো. শিমুল নতুন দলের সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন লালমনিরহাট থেকে।

নাহিদদের কথা শুনতে আসাদের দলে ছিলেন মো. শিমুল। রংপুর এগ্রিকালচার ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী তিনি। ছোটবেলায় একটি দুর্ঘটনায় বাম পা হারান, এরপর থেকে স্ক্র‌্যাচে ভর দিয়েই জীবন চলছে লালমনিরহাটের এই যুবকের। এক পা নিয়েই তিনি আসেন মানিক মিয়া এভিনিউতে।

পথে বাস নষ্ট হওয়ায় লালমনিরহাট থেকে ঢাকায় আসতে ১৭ ঘণ্টা সময় লেগেছে শিমুলের। কিন্তু দীর্ঘ সেই ভ্রমণের ক্লান্তি ভুলেই সমাবেশে স্ক্র‌্যাচে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি।

শিমুল সকাল সন্ধ্যােক বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর নানা অনিয়ম, অত্যাচারে মনটা বিষিয়ে উঠেছিল। ভেবেছিলাম কোনোদিনই আর দেশের পরিবেশ ঠিক হবে না। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন আমাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছে। তাই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকার পরও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই রাজপথে ছিলাম। 

“যে শিক্ষার্থীরা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করতে পেরেছে, একমাত্র তারাই দেশটাকে সাজাতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।”

শিমুলের সঙ্গেই ছিলেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী মো. মোসাদ্দেক হোসেন। তার বিশ্বাস, সামনের নির্বাচনেই শিক্ষার্থীদের নতুন দল সরকার গঠন করতে পারবে।

মোসাদ্দেক যেখানে দাঁড়িয়ে একথা বলছিলেন, তার পাশেই সংসদ ভবন, বাংলাদেশ পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। অভ্যুত্থানের পর সংসদ এখন অকার্যকর। তবে আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে আবার স্বমহিমায় ফিরবে সংসদ। সেই নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের দল গোছাতে হাতে সময় মাত্র কয়েক মাস।

তবে তরুণদের নতুন এই দল কতটা কী করতে পারবে, তো নিয়ে সংশয়ও রয়েছে অনেকের।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য দীপায়ন খিসা ফেইসবুকে লিখেছেন, “রাজসিক কায়দায় রাজকীয় আয়োজনে তাহাদের আত্মপ্রকাশ। কিন্তু হৃদয়ে লেখা থাকবে কি?? সেটা ভবিষ্যৎ-ই বলুক। আমরা আপাতত পর্যবেক্ষণ করি।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত