আইএমএফের ঋণ ছাড় নিয়ে কী ‘গিট্টু’ লেগেছে
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩৮:০০
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিদেশি মুদ্রার সরবরাহ সঙ্কটের মধ্যে শেখ হাসিনার সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ঋণ চেয়েছিল। কয়েক দফা আলোচনা শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি সাত কিস্তিতে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন (৪৭০ কোটি) ডলারের ঋণ অনুমোদন করে ওয়াশিংটনভিত্তিক আর্থিক সংস্থাটি।
এরপর তিন কিস্তির অর্থও পায় বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আইএমএফের কাছ থেকে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার পায় বাংলাদেশ। ওই বছরের ডিসেম্বরে পায় দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর ২০২৪ সালের জুনে তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি (১.১৫ বিলিয়ন) ডলার ছাড় করে আইএমএফ।
সব মিলিয়ে তিন কিস্তিতে আইএমএফের কাছ থেকে ২৩১ কোটি (২.৩১ বিলিয়ন) ডলার পেয়েছিল বাংলাদেশ। ঋণের বাকি ২৩৯ কোটি (২.৩৯ বিলিয়ন) ডলার পাওয়ার কথা ছিল চার কিস্তিতে।
এরই মধ্যে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ওই সরকারের সময় আর কোনো কিস্তি পায়নি বাংলাদেশ।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় (২০২৫ সালের জুনে) ঋণের অঙ্ক ৮০ কোটি ডলার বাড়ানো হয়। এর মধ্য দিয়ে আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচির পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৫০ কোটি (৫.৫০ বিলিয়ন) ডলার।
এর মধ্যে গত বছরের জুনে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির ১৩৩ কোটি ৭০ লাখ (১.৩৩ বিলিয়ন) ডলার একসঙ্গে ছাড় করে আইএমএফ। সব মিলিয়ে পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছে ৩৬৪ কোটি (৩.৬৪ বিলিয়ন) ডলার।
বাকি আছে ১৮৬ কোটি (১.৮৬ বিলিয়ন) ডলার, যা থেকে ষষ্ঠ কিস্তির ১৩০ কোটি (১.৩০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার পাওয়ার কথা ছিল গত কছরের ডিসেম্বরে। কিন্তু গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক বৈঠক শেষে তৎকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এ কিস্তি ছাড়ের আলোচনা আইএমএফ নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে করবে।
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। আইএমএফের চলমান ঋণের বাকি কিস্তিগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু আমমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল যোগ দিয়েছে। ১৩ এপ্রিল এই বৈঠক শুরু হয়েছিল; শেষ হয়েছে শনিবার (১৮এপ্রিল)।
এই বৈঠকেও আইএমএফের বাকি কিস্তিগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
তবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, “এখনও আলোচনা চলছে। আলোচনার মধ্যে যেগুলো এখনও রিজলভড হয়নি, সেসব সমাধান হবে।”
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটের মধ্যে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আইএমএফের ঋণ খুবই প্রয়োজন। কেননা, আইএমএফ চলমান ঋণের কিস্তি ছাড় না করলে বিশ্ব ব্যাংক, এডিবিসহ অন্য দাতা সংস্থাগুলোও ঋণ দেবে না; সংকট আরও বাড়বে।
আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন গত ২৪ মার্চ ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে গেছেন। ওই সময় কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছিলেন প্রতিবছর বসন্তকালীন বৈঠকের পর পরই এপ্রিল মাসে যে আইএমএফের পর্যালোচনা মিশন দুই সপ্তাহের জন্য ঢাকায় আসে, এবার তা আসবে মে মাসে। ফলে আইএমএফের জুনের পর্ষদে কিস্তি ছাড়ের প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়ার সুযোগ কম। জুলাইয়েও আইএমএফের পর্ষদ বৈঠক রয়েছে। জুলাইয়ের বৈঠকে যাতে কিস্তি ছাড়ের প্রস্তাব ওঠে, এবারের বসন্তকালীন বৈঠকে আইএমএফকে সেই অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।
বসন্তকালীন বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক খাতের সংস্কার, একক ভ্যাট হার চালু করা, কর ছাড় কমিয়ে আনাসহ রাজস্ব খাতের সংস্কারের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে আইএমএফ। ঋণ অনুমোদনের পর ২০২৩ সালে আইএমএফ শর্ত দিয়েছিল যে জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আদায় প্রতিবছর দশমিক ৫ শতাংশ হারে বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ তা পারেনি। বর্তমানে ভ্যাট হার আছে ৫, ৭ দশমিক ৫, ১০ এবং ১৫ শতাংশ। আইএমএফ চায় একক ভ্যাট হার।
ওয়াশিংটনে গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেন, আর্থিক, রাজস্ব ও বিনিময় হার—এ তিন খাতেই বাংলাদেশের এখনো সংস্কারের অনেক কাজ বাকি।
ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেন, “কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ–বিষয়ক তথ্য পরে জানানো হবে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে গত মাসে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অন্যদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বলেছি, শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আসা সরকারের পক্ষেই উচ্চাভিলাষী সংস্কারকাজ হাতে নিতে পারে। তারা আমাদের কথা শুনেছে। এখন আমরা দেখব তারা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।”
কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেন, “এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও জ্বালানি ধাক্কায় প্রভাবিত হয়েছে। এ কারণে নীতি–সহায়তা এবং কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। এ আলোচনা কীভাবে, কতটা এগোয়, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”
আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠক চলাকালে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠকের পর আইএমএফের ঋণের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এখনও আলোচনা চলছে। আলোচনার মধ্যে যেগুলো এখনও রিজলভড হয়নি, সেসব সমাধান হবে।”
সংস্কারে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় অর্থমন্ত্রীর।
জবাবে আমির খসরু বলেন, “আইএমএফ না করেছে কি না, এটা তো তারা বলতে পারবে। আমি কীভাবে (উত্তর) দিব? আমি তো জানি এই ধরনের কোনো আলোচনা... ওই জায়গায় তো আমরা যাইনি।”
“আমি তো মনে করি এখনো আলোচনা চলছে। সামনের দিকে যেগুলো এখনও রিজলভ হয়নি, সেগুলো আলোচনার মধ্যে আসবে। এটাই পরিস্কার সিদ্ধান্ত। এখানে হ্যাঁ, না বলার তো সুযোগ নাই।
“আর এটা বুঝতে হবে, বিষয়গুলো একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটা এক দিনের সিদ্ধান্ত না, এক ঘণ্টার সিদ্ধান্ত না। এটা চলতেই থাকবে, আলোচনা— ১৫ দিন পরেও চলবে। চলতে থাকবে। তো এগুলো ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস। চলতে থাকবে।”
আমির খসরু বলেন, “এর মধ্যে সমাধান হবে। এর মধ্যে আমাদের কাজও চলতে থাকবে।”
এক সাংবাদিক জানতে চান, ঋণের বাকি কিস্তিগুলোর অর্থ ছাড় হবে তো? হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবার মধ্যে পজিটিভিটিই দেখছি।”
আইএমএফ-বিশ্ব ব্যাংকের বসন্তকালীন সভা চলার মধ্যেই খবর আসে, রাজস্ব খাত ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সংস্থাটির শর্ত পূরণ না হওয়ায় পরবর্তী কিস্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএমএফ।
একই সঙ্গে নতুন কর্মসূচির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে নতুন কোনো আরও কঠোর শর্তের বেড়াজালে পড়ার শঙ্কার কথা তুলে ধরেছে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ‘ইতিবাচক’ মনোভাবে রয়েছে। তবে ঋণ কর্মসূচির আওতায় তারা কত অর্থ ছাড় করবে বা কী শর্ত দেবে, সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “সবার অ্যাটিটিউড এখানে খুবই পজিটিভ- এক কথায় বলতে গেলে। তবে প্যাকেজটা কী হবে, সেটা অপেক্ষা করতে হবে। সেটা তো এখন আমি বলতে পারব না।
“এটা পজেটিভ হচ্ছে- কারণ তারা বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিএনপির পলিসির সাথে তারা এলাইন্ড। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বিএনপির মেনিফেস্টোর সাথে তারা এলাইন্ড। যেহেতু তারা এলাইন্ড, সেহেতু তারা সাপোর্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে।"
‘কিছু একটা গিট্টু লেগে গেছে’
দুই সংবাদ সম্মেলনের তথ্য জানিয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইএমএফের ঋণ কর্মসূচিটা চলমান রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্য উন্নয়ন সহযোগীরাও আইএমএফের মূল্যায়নকে বিবেচনায় নিয়ে থাকে। অর্থমন্ত্রী ও আইএমএফ—কারও কাছ থেকেই ঋণ কর্মসূচি চালু থাকা এবং পরের কিস্তি ছাড় নিয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এপ্রিলে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় না হওয়া, সম্প্রতি মুদ্রা বিনিময় হারে অদৃশ্য চাপ, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে বিশেষ ধারা আরোপ করা, রাজস্ব আদায়ে অগ্রগতি না থাকা—এ সব বিষয়ে বাংলাদেশ শর্ত পূরণ করতে পারেনি উল্লেখ করে জাহিদ হোসেন বলেন, “কোন কোন বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত, তা আমরা এখনো জানি না। হয়তো অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরে এসে জানাবেন। তবে আমার মনে হয় কিছু একটা গিট্টু লেগে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বর্ধিত ঋণ পাওয়ার কতটা সম্ভাবনা আছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।”
‘কিস্তি ছাড় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি’
এদিকে আইএমএফের ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আইএমএফ এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এমনকি আইএমএফের সঙ্গে ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বৈঠক হয়নি, বৈঠক হয়েছে শুক্রবার। শুক্রবারের বৈঠকে এমন কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। খবর বিজ্ঞপ্তি
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকের ফাঁকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আইএমএফের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেছে। সকালে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন এবং বিকেলে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বিএনপি সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যাংক-আর্থিক খাতে সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।
কিছু বিষয় নিয়ে আরও আলোচনা করতে হবে, এ বিষয়ে উভয় পক্ষই একমত হয়েছে। বিশেষ করে জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী। কিছু ক্ষেত্রে দুই পক্ষ একমত হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, যে বিষয়ে দুই পক্ষই একমত হয়েছে, তা হলো আলোচনা চলমান থাকবে এবং আলোচনার মধ্য দিয়ে সব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব। আইএমএফ পরিষ্কারভাবে বলেছে, তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের মেয়াদে উন্নয়নের অংশীজন হয়েই আইএমএফ বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।